আনন্দদায়ক উপাদান দিয়ে যদি কোন পাঠদান করা হয় তাহলে তার সাথে শিক্ষার্থীর মানসিক সংযোগ বৃদ্ধি পায়, ফলে তা সে সহজে আত্মস্থ করতে পারে এবং সেই লেসন বা পাঠটি মস্তিষ্কে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত গ্রথিত থাকে ।

যখন কোন কিছু শেখা আনন্দদায়ক হয় তখন এটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে, নতুন জ্ঞান অন্বেষণ করার ইচ্ছা জাগিয়ে তোলে । তখন শিক্ষার্থীর কাছে লেখাপড়া আর বিরক্তিকর ও ক্লান্তিকর না হয়ে বরং শেখার প্রতি তার আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে এবং কৌতুহলকে জাগিয়ে তোলে । শিক্ষার্থী সৃজনশীল ভাবে চিন্তা করে এবং ব্যর্থতার ভয় ছাড়াই ঝুঁকি নিতে উৎসাহিত হয়, তার ভেতরে আত্মবিশ্বাস বহু গুনে বেড়ে যায় । ফলে শিক্ষার্থীর ক্লাসে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার সম্ভাবনা বেশি থাকে । শিক্ষার্থীর চিন্তায় ও মননে এই পরিবর্তন জীবনে সফলতা অর্জনে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে ।